
এস এম মারুফ, নিউজ ডেক্সঃ দেশের বৃহত্তর স্থলবন্দর বেনাপোলের বাজারে সর্ববৃহৎ মার্কেট বেনাপোল নিত্যহাট মার্কেটে ঈদের শেষ দিনেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকালের সূর্যের আলো বাড়ায় সাথে সাথে ক্রেতাদেরও ভিড় বাড়তে থাকে।
ঈদের কেনাকাটা করতে আসা ইস্পিতা নামে এক ক্রেতা জানান, নিত্যহাট মার্কেট টা এমন একটা মার্কেট, যেখানে একবার ঢুকলে পরিবারের সবার জন্য সব কিছু সহজেই পাওয়া যায় এই একটি মার্কেটেই।
তিনি আরও বলেন, এক মার্কেটে সব কিছু পাওয়া যাওয়ার কারনে সময় বাঁচে, এদিক সেদিক ঘুরাঘুরি করা লাগে না। সেজন্য ঈদের কেনাকাটার জন্য নিত্যহাট মার্কেটে এসেছি।
রনি আহমেদ নামে আরেকজন বলেন, নিত্যহাট মার্কেট বেনাপোলের সর্ববৃহৎ মার্কেট। এই মার্কেট পুরোটাই ছাতার মতো ডানা মেলে আছে, এখানে কেনাকাটা করতে আসলে ঝড়-বৃষ্টি ও রোদের তাপ থেকে রেহায় পাওয়া যায় এবং এক মার্কেটের ভেতর সব ধরনের কেনাকাটা করে বাসায় ফিরে যাওয়া যায়।
নিত্যহাট মার্কেটের সভাপতি সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিপ্লব বলেন, নিত্যহাট মার্কেটের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান রুচিসম্মত মালামাল বিক্রয় করে থাকে। এ কারণে ঈদের বাজার অনুপাতে ক্রেতারা আসছেন এবং কেনাকাটা করছেন।
নিত্যহাট মার্কেটের সহ সভাপতি ও ফ্যাশন প্যালেস এর সত্ত্বাধিকারী সাংবাদিক এস এম মারুফ বিল্লাহ বলেন, সম্মানিত ক্রেতা আমাদের অতিথি। নিত্যহাট মার্কেটে আসা সকল ক্রেতা যাতে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়া কেনাকাটা করতে পারেন সেদিনে আমাদের সজাগ দৃষ্টি আছে।
ঈদের বাজারে সন্তোষজনক ক্রেতা আসছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিত্যহাট মার্কেটে সব সময় কম-বেশি ক্রেতা আসেন। বেনাপোল দেশের বৃহত্তর স্থলবন্দর হলেও আমাদেরকে মানতেই হবে, আমরা যারা বেনাপোলে বসবাস করি আমাদের অনেকাংশে নির্ভর হতে হয় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উপর। যখন এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ও পাসপোর্ট যাত্রী স্বাভাবিক থাকে তখন নিজের ও পরিবারের সখ-স্বপ্ন পূরণ করতে বেশ ভালো লাগে। কিন্তু বর্তমান ভারতের সাথে সম্পর্ক টানাপোড়েনের কারণে দেশের বৃহত্তর এই বন্দরটা অনেকটা থমকে যাওয়ায় এ এলাকার মানুষের আয়ের পথও অনেকটা থমকে গেছে। যার কারণে প্রতিবারের তুলনায় এবারের ঈদে গত সপ্তাহে ঈদের বাজার অনুপাতে ক্রেতা ছিল না। তবে গত ৩/৪ দিন ধরে নিত্যহাট মার্কেটে চোখে পড়ার মতো ক্রেতা আসছেন। ক্রেতার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য থানা পুলিশের নিয়মিত টহলও জোরদার করা হয়েছে।