শিরোনাম:
ঝিকরগাছায় আড়াই কোটি টাকার সোনার বার জব্দ, আটক-১ বেনাপোল সীমান্তে ‘বাংলাদেশী’ আখ্যা দিয়ে পুশইনয়ে ব্যস্ত ভারতীয় বিএসএফ, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি বেনাপোলে ঈদের শেষ দিনেও নিত্যহাট মার্কেটে ক্রেতার উপচে পড়া ভিড় বেনাপোলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়  যশোরের শার্শা সীমান্তে পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি জব্দ  বাগেরহাটে ডিবি’র অভিযানে সাড়ে ১২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক চৌগাছায় বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় অস্ত্র জব্দ  যশোরে ৬৫ লাখ টাকার রুপা ও বিদেশি মদ জব্দ  যশোরে বিয়ের দাওয়াত না পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে কুপিয়েছে প্রতিবেশী  ফরিদপুরে নিখোঁজের দু’ঘন্টা পর শিশু জায়ানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাঁশবাগান থেকে ৩৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারীর একটি বাঁশ বাগান থেকে থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের ৩৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর)  সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চতুল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের আবু বক্কারের বাঁশঝাড় থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী উদ্ধারকৃত গুলি অকেজো এবং মরিচা ধরা।
থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে বাগানটিতে গাছ কাটতে গিয়ে স্থানীয় শ্রমিকরা গাছের গুড়ি খোঁড়ার সময় মাটির ২ ফিট নিচে একটি মরিচা ধরা লোহার বাক্স দেখতে পায়। এ সময় মাটি সরিয়ে বাক্সটি উদ্ধার করার চেষ্টা করলে বক্সের মধ্য থেকে অকার্যকর মরিচা ধরা গুলি বেরিয়ে আসে।
তৎক্ষণাৎ স্থানীয়রা পুলিশের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করে। খবর পেয়ে মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, বোয়ালমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শেখ সাদিক, চতুল ইউপি চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ ব্যাপার মধুখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত একটি মরিচা ধরা বাক্স থেকে থ্রি-নট-থ্রি রাইফেলের ৩৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত গুলিগুলো অকার্যকর। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো মুক্তিযুদ্ধের সময়কালের।
বোয়ালমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শেখ সাদিক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ৩৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। গুলিগুলো দীর্ঘদিনের পুরোনো, ১৯৬১-৬৬ সালের মধ্যে তৈরি হওয়া গুলিগুলো বর্তমানে অকেজো। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ