শিরোনাম:
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: বেনাপোল দিয়ে ৫ লাশ ফিরলো দেশে  চট্টগ্রামে রিকশাযাত্রীর পকেট কেটে ১২ হাজার টাকাসহ মানিব্যাগ নিয়ে উধাও শফির আটকের সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিককে নারীর হুমকি বেনাপোলে ২১ লাখ টাকার ব্যাংক চেক প্রতারণা মামলায় শফি আটক ঝিকরগাছায় আড়াই কোটি টাকার সোনার বার জব্দ, আটক-১ বেনাপোল সীমান্তে ‘বাংলাদেশী’ আখ্যা দিয়ে পুশইনয়ে ব্যস্ত ভারতীয় বিএসএফ, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি বেনাপোলে ঈদের শেষ দিনেও নিত্যহাট মার্কেটে ক্রেতার উপচে পড়া ভিড় বেনাপোলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, পাম্পগুলোতে উপচে পড়া ভিড়  যশোরের শার্শা সীমান্তে পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি জব্দ  বাগেরহাটে ডিবি’র অভিযানে সাড়ে ১২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: বেনাপোল দিয়ে ৫ লাশ ফিরলো দেশে 

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
Oplus_16908288

এস এম মারুফ, নিউজ ডেক্সঃ পাশ্ববর্তী দেশ ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার “শিখা ইনঃ আবাসিক হোটেলে” বুধবার রাত ২টার দিকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়। নিহতের মধ্যে ৭জন বাংলাদেশী ও দু’জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে।
শনিবার (২২ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারত-বাংলাদেশের শূন্যরেখায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতীয় পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ লাশগুলো বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এসময় স্বজনদের আহাজারিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বেনাপোল দিয়ে যাদের লাশ ফিরেছে তারা হলেন, কুষ্টিয়ার ‘দৈনিক আজকের পত্রিকা’র জেলা প্রতিনিধি দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণাশীষ দত্ত, দেবাশীষ দত্তের শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আমিনবাজার এলাকার ব্যবসায়ী আহমেদ বাবু।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় ৯বছর আগে আফসানা শারমীনের সঙ্গে দেবাশীষ দত্তের প্রেম করে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একমাত্র সন্তান ছিল শর্ণাশীষ। দেবাশীষ দত্ত ও তার তিন বছর বয়সী ছেলে শর্ণাশীষ দত্তের লাশ হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করা হবে। অন্যদিকে, আফসানা শারমীন ও মো. আকরাম আলীর লাশ ইসলামি রীতি অনুযায়ী দাফন করা হবে।
নিহত ব্যবসায়ী আহমেদ বাবুর বড় ভাই মোহাম্মদ আলী জানান, চিকিৎসার জন্য ঘটনার দুইদিন আগে আহমেদ বাবু কলকাতায় যান। সেখানে অবস্থানরত আবাসিক হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে তিনি মারা যান। ভাইয়ের লাশ গ্রহণের জন্য তিনি শুক্রবার দুপুর থেকেই বেনাপোলে অবস্থান নেন।
অগ্নিকাণ্ডের পর নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় শনাক্তকরণ, তদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে তাদের লাশ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
শনিবার বিকেলে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে পাঁচজনের লাশ দেশে আসে। এর আগে একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের লাশ ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। এদিকে, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের বাসিন্দা রেবতী সরকারের লাশ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতাতেই সৎকার করা হবে বলে জানা গেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন জানান, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ পাঁচজনের লাশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ