বিশেষ প্রতিনিধি: সড়ক আছে, ফুটপাত ও আছে কিন্তু নেই মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ। দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও ফুটপাতের জায়গা দখল করে দোকান পাট ও ব্যবসায়িক মালামাল রাখায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১ নাম্বার বাঁকড়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা।
অবশেষে স্থানীয় মানুষের অভিযোগ ও দুর্ভোগের বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গতকাল ১১টার দিকে বাঁকড়ার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম. সাইফুল্লাহ। এ সময় দখলদার ব্যবসায়ীদের তিন দিনের মধ্যে সড়ক ও ফুটপাত খালি করার কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।
বাঁকড়া ইউনিয়নের পারবাজার ব্রীজ সংলগ্ন সড়ক, কাপড়পট্টি কাঁচা বাজার সড়ক, বাঁকড়া ডিগ্রী কলেজ সড়ক, বাঁকড়া হাইস্কুল সড়ক, বাঁগাচাড়া সড়ক, হাড়িখালি সড়ক ও ঝিকরগাছা সড়কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করে এসব নির্দেশনা দেন ইউএনও।
স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এসব সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফুটপাত দখল করে দোকান বসানো এবং সড়কের পাশে মালামাল রাখার কারণে পথচারীদের বাধ্য হয়ে যানবাহন চলাচলের সড়ক দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যানজট বাড়ছে, অন্যদিকে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে ইউএনও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জনসাধারণের চলাচলের জায়গা দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী তিন দিনের মধ্যে দখল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেন বলে জানাযায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১১ নম্বর বাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাস্টার আনিসুর রহমান, বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম, বাঁকড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামির হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ৯ নম্বর হাজিরবাগ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আলী, জিয়া হাজি, ঝিকরগাছা থানা বিএনপির সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আল-আমিন হোসেনসহ দুই ইউনিয়নের যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় জনগন।
এ ছাড়া বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুধীজন ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, প্রশাসনের এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে বাঁকড়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ফুটপাতগুলোতে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই লাঘব হবে।