শিরোনাম:
যশোরের শার্শা সীমান্তে পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি জব্দ  বাগেরহাটে ডিবি’র অভিযানে সাড়ে ১২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক চৌগাছায় বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় অস্ত্র জব্দ  যশোরে ৬৫ লাখ টাকার রুপা ও বিদেশি মদ জব্দ  যশোরে বিয়ের দাওয়াত না পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে কুপিয়েছে প্রতিবেশী  ফরিদপুরে নিখোঁজের দু’ঘন্টা পর শিশু জায়ানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার এক যুগ পর দেশে ফিরলো শান্তনা, মা’কে জড়িয়ে সন্তানের কান্না ঝিকরগাছায় নাতিজামাই এর হাতে নানা শ্বশুর খুন ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অনুপস্থিতে জাল স্বাক্ষরে বেতন উত্তলন শার্শায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে ছেলের গ্রেফতারের খবর শুনে বাবার মৃত্যুর অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বুধবার, ২ জুলাই, ২০২৫

এম এম জামান, ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার উমরনগর এলাকা থেকে আবু হেনা (৫৫) নামের এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করলে, ঘটে যায় এক রিদয় বিদারক ঘটনা।

সন্তান আবু হেনার গ্রেপ্তারের কথা শুনে বাবা ডাক্তার ধলা মিয়া (৭৮) তাৎক্ষনিক হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

বাবার মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের আশায় দিন গুনছে ছেলে আবু হেনা। এ ঘটনা ২০১৮ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর রাতে,
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের উমর নগর সাতানি পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আব্দুল ওহাব, ধলা মিয়া ঔ এলাকার একজন সকলের সুপরিচিত ব্যক্তি ছিলেন।

অভিযোগে জানাযায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পুলিশ বাহিনী ধলা মিয়া ডাক্তারের ছেলে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, আবু হেনাকে নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলায় অভিযুক্ত করে আটক করে বোয়ালমারী থানা পুলিশ । আবু হেনাকে আটকের খবর শুনে ঔ রাতেই স্ট্রোক করে মারা যান তার বাবা ধলা মিয়া ডাক্তার। তার মৃত্যুতে এলাকা শোকের ছায়া নেমে আসে।

২০১৮ সালে ২৬ ডিসেম্বর একই মামলায় ততকালীন পৌর বিএনপি নেতা রাসেল আহমেদ,জয়পাশা গ্রামের মোহাম্মদ আলি, কৃষক দল নেতা বাবলু মোল্লা ও বাবলু মোল্লার প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার কে থানা পুলিশ আটক করে বলে যানাযায়।
স্থানীয় গ্রামবাসী জানান, মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই তাকে বাড়ির পাশ থেকে আটক করা হয়। হেনার অপরাধ ছিলো সে জাতীয়তাবাদী বিএনপি’র রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতা। একটা ইস্যুতে পুলিশের করা নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার করে।

একারণে ২০১৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঔ রাতে এক অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটে।। এঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে। এবং দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি করেন।

এ সময় আবু হেনার ভাই রাকিত বলেন, ভাইয়ের বিরুদ্ধে কোনো মামলা ও ওয়ারেন্ট ছিলনা, বোয়ালমারী থানার ততকালীন এস আই, দীপংকর সানাল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।
(পুলিশ) কোনো জবাব না দিয়ে তাকে (হেনাকে) ধরে নিয়ে চলে যায়। ততকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসিহিসেবে) দায়িত্বে ছিলেন শামীম আহমেদ।

আবু হেনাকে গ্রেফতারের পর, তার বানা ধলা মিয়া ডাক্তার বলেন, আমার ছেলের বিরুদ্ধে কোনো মামলা ছিল না। পুলিশ জোর করে তাকে ধরে নিয়ে যায়। তখন হেনার বাবা ধলা মিয়া ডাক্তার আতঙ্কিত হয়ে, ঘটনা স্থলে স্ট্রোক করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে বলে অভিযোগ করেন।

২৯১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্য করে এ গ্রেফতারের ঘটনায় নির্যাতিত একজন বিএনপি নেতা, তার বাবাকে হারান।

এব্যপারে উপজেলার গুনবহা ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সৈরাশাসক সরকারের নির্যাতনের শীকার হয়ে আবু হেনার পিতা, আব্দুল ওহাব ধলা মিয়া,
ছেলেকে পুলিশে গ্রেফতারের খবর শুমে হার্ডএটাক করে মারা যান। হেনার বাবার মৃতুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

তিনি আরো বলেন, ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে, আবু হেনাকে আমি থানা হাজতে দেখতে গিয়েছিলাম, তাঁকে সান্তনা দিয়েছিলাম এবং খাবার ও কিনে দিয়ে ছিলাম।

এ-ব্যপারে একই গ্রামের ব্যবসায়ী, রাজিব হোসেন বলেন নাশকতা ও বিস্ফোরক মামলায় ধলামিয়া ডাক্তার এর ছেলে আবু হেনা কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারে আতংকিত হয়ে এ ঘটনায় তার বাবার মৃত্যু হয়েছে । তবে তিনি আগে থেকেই শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল।

আবু হেনা ছাড়াও আরও ৪ জনকে থানা পুলিশ ঔ রাতে গ্রেপ্তার করে।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ