শিরোনাম:
যশোরের শার্শা সীমান্তে পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি জব্দ  বাগেরহাটে ডিবি’র অভিযানে সাড়ে ১২ কেজি গাঁজা সহ যুবক আটক চৌগাছায় বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় অস্ত্র জব্দ  যশোরে ৬৫ লাখ টাকার রুপা ও বিদেশি মদ জব্দ  যশোরে বিয়ের দাওয়াত না পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে কুপিয়েছে প্রতিবেশী  ফরিদপুরে নিখোঁজের দু’ঘন্টা পর শিশু জায়ানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার এক যুগ পর দেশে ফিরলো শান্তনা, মা’কে জড়িয়ে সন্তানের কান্না ঝিকরগাছায় নাতিজামাই এর হাতে নানা শ্বশুর খুন ঝিকরগাছায় মাদ্রাসার পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অনুপস্থিতে জাল স্বাক্ষরে বেতন উত্তলন শার্শায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শার্শায় পাটের উৎপাদন খরচ উঠছেনা, লোকসনের মুখে চাষীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

আজিজুল ইসলাম, যশোর : যশোরের শার্শায় চলতি বছরে  পাট চাষের লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। তবে পাটের দাম কম থাকায় হতাশ হয়ে পড়েছেন পাট চাষিরা। এ বছর শার্শা উপজেলায়  ৫ হাজার ৪ শ ৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে।  উৎপাদন ভালোই হয়েছে। কিন্তু এবছর উৎপাদন খরচ পড়েছে গত বছরের চেয়ে অনেক বেশী। আবার গত বছরের চেয়ে পাটের দামও এবছর অনেক কম। যে কারনে   চাষিরা হতাশায় ভুগছেন ।
উপজেলার সীমান্তবর্তী  গোগা বাজার পাটের একটা বড়ো মোকাম। প্রতি মন পাট এখানে বিক্রি হচ্ছে ১৭ শ”  টাকা থেকে ১৯ শ” টাকা। অথচ  এই বাজারে গত বছর মৌসুমের শুরুতেই প্রতি মন পাট বিক্রি হয়েছে আড়াই হাজার টাকা থেকে ২৭ শ” টাকায়। সর্বশেষ  সাড়ে তিন হাজার টাকায় প্রতিমন পাট বিক্রী হয়েছিল।
পাট চাষি আতিয়ার রহমান বলেন, অন্যান্য বছরের চেয়ে এবছর আমাদের অঞ্চলে পাট চাষ ভালো হয়েছে। তবে পাট চাষে খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবং পাটের বাজার নিম্নমুখী হওয়ায় এবছর আমাদের লোকসান হয়েছে।
বাগআঁচড়া বাজারে পাট বিক্রি করতে আসা কৃষক শাহাজান কবীর বলেন, হাটে এসে পাটের দাম শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেছে। এত কষ্ট করে পাট আবাদ করে পানির দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। গত বছর যে পাট তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকায় বিক্রি করেছি সেই পাট এবছর বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র দেড় হাজার টাকায়।
পাট ব্যবসায়ী মিন্টু সরদার ও ওমর আলী বলেন, গত বছরের চেয়ে এবছর মোকামে পাটের দাম কম। যার কারণে কম দামেই আমাদের পাট কিনতে হচ্ছে। মোকামের বাজার অনুসারে ভালো পাট দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা এবং একটু নিম্ন মানের পাট দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে আমাদের।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার শাহ্ ‍‍ জানান, এবছর উপজেলায় ৫ হাজর ৪ শত ৬০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। প্রথম দিকে যারা পাট বিক্রি করেছে তারা ভালো দাম পেয়েছে। তবে এখন হাট-বাজার গুলোতে একটু কম দামে পাট বিক্রি হচ্ছে বলে তিনি জানান।


এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ